
মিসর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পাঁচ লাখ বাসিন্দাকে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির স্টেট ইনফরমেশন সার্ভিস (এসআইএস) জানায়, এ ধরনের খবর ভুয়া এবং গাজাবাসীকে তাদের ভূমি থেকে সরানোর কোনো প্রস্তাব মিসর গ্রহণ করেনি।
এর আগে লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-আকবার এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ এল সিসি সাময়িকভাবে গাজার পাঁচ লাখ মানুষকে সিনাই অঞ্চলে আশ্রয় দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে মিসর দ্রুতই এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করে এবং জানায়, গাজার পুনর্গঠন হবে গাজাবাসীদের সেখানে রেখেই।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র গাজাবাসীকে মিসর, জর্ডান বা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে স্থানান্তর করতে চাইলেও আরব দেশগুলো এই পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বর্তমানে মিসর গাজার সম্ভাব্য পুনর্গঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
গত মাসে অনুষ্ঠিত এক আরব সম্মেলনে গাজা পুনর্গঠনের জন্য তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়, যেখানে আনুমানিক ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। পরিকল্পনার আওতায় গাজায় প্রায় পাঁচ লাখ নতুন বাড়ি এবং একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কথা রয়েছে। মিসর এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক দাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে মিসর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গাজাবাসীদের তাদের ভূমিতেই থাকতে দিতে হবে এবং তাদের জোরপূর্বক সরানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।